মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০২২

চাঁদনী রাতে চন্দ্রানী

চাঁদনী রাতে চন্দ্রানী তুমি।
বৈশাখেতে বৈশাখী।
ওমর তুমি এই লেখাতে।
চৈত্রে তুমি চৈতালি।
নিঝুম রাতের সঙ্গিনী।
শ্রাবণেতে শ্রাবণী।
অমর তুমি এই লেখাতে।
ফাল্গুনেতে ফাল্গুনী।
মধুর রাতে মন মজেছে।
রূপে তুমি লাবনী।
ভোমর বেসে মধুর দেশে।
হবে আমার হরিণী।
সায়ন মনে সুপ্ত প্রাণে।
তুমি আমার সায়নী।
কনের বেশি ময়ূর দেশে ।
হবে আমার ময়ূরী।
পেখম তুলে নাচবো দুজন ।
শ্যামের মধুর বাঁশরী।
বংশী শুনে রাধিকা ওই।
 দৌড়ে আসে নদীর তীরে।
অমন সুরে মাতাল হয়ে।
 মূর্ছা য়ে যায় ঘন্টা দুয়েক।
মুচকি হেসে বংশী মদন।
মূর্ছা ভাঙ্গায় রাধারি।
জায়গা ওঠা রাধারানী।
রাইগা য়ে য়ায চাই কানুর উপর।
বিলীন হয়ে গভীর প্রেমে ।
কানুর দিকে চাহিয়া রয়।



শুক্রবার, ২৭ মে, ২০২২

মা

 জীবন জোয়ারে 
 ঝাঁপিয়ে  পড়েছি ।
তোমারি প্রার্থনায়
আমার জয়।
জীবন জোয়ারে  
প্রতিটি প্লাবনে ।
তোমারি নাম শুধু 
 আমি গাই ।
মা দিয়ে সৃষ্টি 
মা হলো দৃষ্টি ।
মা দিয়ে মমতা 
সে আমার ক্ষমতা ।
এই নিয়ে পৃথিবী
করবো জয়। 
শক্তিরুপেনূ 
মাতৃদেবী ।
দুষ্ট দমনে 
দেবী চন্ডিকা ।

বুধবার, ২৫ মে, ২০২২

চাকরি জীবন

 চাকরি জীবন
ট্রেনে বাসে ঠেলে ওঠা। 
তার পরে সিট খোঁজা। 
পাই যদি জানলার সিট।।। 
তার পর তরিঘোঁরি। 
টুক করে বসে পরি। 
ব্যাপারটা জমে গিয়ে ক্ষীর।।। 
ফুর ফুর বহে বায়ু। 
আঁখীটা ঢুলু ঢুলু। 
জানলায়  ঠোঁকা লাগে। 
ব্রেক মারে ড্রাইভার।।।। 
ঘুম থেকে উঠে দেখি।
এক জন রেগে বেশি। 
চিৎকার করে একি।
মার খাবে ড্রাইভার।।।। 
মৃদু হেশে ড্রাইভার। 
মারে চার গিয়ার। 
স্ব জ্বরে চালায় গাড়ি। 
এসে গেছি এব্বার।।।।

গ্ৰাম

 পারিশ যদি য়ায চলে যায়
নিজের ঘরে।। 
অমন করে থাকিস যদি।
বন্ধ ঘরে। 
শীতল কুটি পাথুরা এক গ্ৰামে। 
মাটির বাড়ি কুটির চালা আছে।। 
সামনে আছে পুকুর খানি। 
নদীর পানি ঘোলাটে।। 
গাছের ডালে বাবুই পাখি। 
বাসা বাঁধে ঝোলাতে।। 
মাঝি ভাই নঙ্গর করে। 
উঠে আসে দালানে।। 
খেতে দিলাম চিরা মুরি
সঙ্গে দিলাম বাতাসে।। 
সূর্যি বাবু উকি মারে
মহ্নান্ন আহারে।। 
দিনর শেষে সূর্যি পাটে। 
 প্রদীপ জ্বালে 
শঙ্খ বাজে।
তুলসী তলে সান্ধ্য হলে। 
প্রনাম লহ সকলে।। 

শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২২

মা


মা তুমি জগত সেরা।
হাত ধরে জগত ঘোরা।
চোখ দিয়ে বিশ্ব ভ্রমণ।
উষ্ণ কালে শীতের ছাওন।
স্নেহ ভোরা মায়ার বাঁধন।
ধন্য আমার মানব জীবন।
স্পর্শে তোমার আশিষ আছে।
চরন তলে সারা ভূবন।
ছোট থেকে  বর হলাম। 
ভোলার নয় তোমার শিখন। 

মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২২

মাটি

 মাটি গুন খাটি। 
মাটি দিয়ে হয় বাটি। 
দাদুর হাতের লাঠি। 
দিনের শেষে রাতি। 
বনের ভেতর হাতি। 
মাটি দিয়ে হয় থালা। 
নতুন প্রেমের পালা। 
মাটি দিয়ে হয় ঘর। 
ঘরের ভেতর ঝর। 
বনে থাকে পাখি। 
আমি তাকে ডাকি। 
প্রেম পিরিতি জালা। 
বঝেন নাকি দাদা। 
কানুর প্রেমে রাধা। 
জীবন ভোর কাঁদা। 
পুকুরে থাকে মাছ। 
জাল ফেলিয়া নাচ। 
হরেক রকম ফুল। 
সবাই মিলে তুল। 
সাগরের নোনা জল। 
পাই না কোনো স্থল। 


জীবন মরন

 চরম বাধা জীবনে। 
তবুও বাঁচার আশা । 
পারিনি গো ভুলতে। 
প্রদীপে তেল দাও
নিভে যাবে পোলতে। 
আশার আসা নিয়ে
দুপুরের দুয়ারে। 
বসে থাকি একাকী
মধ্যাহ্ন  আহারে। 
অবশেষে ফিরে এলো। 
কি রাগ রুপসীর। 
একে একে সবে খেল। 
জুটল না আমারি। 
দুম করে উঠে দেখি। 
চলে গেলো ঘরেতে। 
আমার মাথায় হাত। 
চক্ষু চড়কগাছ। 
এই ছিল মোর কপালে।

নতুন কবিতা

 কবিতা কবির সৃষ্টি। 
মেঘলা মেঘের বৃষ্টি। 
ঝরেছে অঝোর নয়নে। 
কি অপরূপ দৃষ্টি। 
কারণ বারন বোঝেনা। 
কনো আদেশ মানেনা। 
খামখেয়ালি করে সে। 
আপন গতিতে চলেছে। 



সোমবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২২

প্রেম ভেলা

নীরব রাতে মনের কনে। 
গভীর শোকের ছায়া। 
অথৈই জলে ভাসিয়া দিনু। 
অমার প্রেমের ভেলা। 
দিনের শেষে রাতের দেশে। 
হাজার তারার মেলা। 
কোনের বেশে বধূ সেজে। 
বিদায় নেওয়ার পালা। 
মনে পড়ে নদীর পারে। 
শঙ্খচিলের খেলা । 
মনে পড়ে শ্রাবণী তে
প্রবল বেগে বর্ষা ঝরে। 
বনানী তে পক্ষীরা সব
বাঁচার কারণ উরান ভরে। 
মনে পড়ে শরৎ কালে জলের ধারে
নানান ফুলের মেলা। 
মনে পড়ে বসন্ত কালে কোকিল  ভায়া
কথা বলে কুহু স্বরে। 
মনে পড়ে শীতের সময়
উষ্ণ প্রেমের ছঞা। 

 




চাষী

 চাষি চাষ করে 
ফসল ফলায়।
কিসের কারণ
 কিসের আশায়। 
যদি বলা যায় 
খূধার কারণ
বাঁচার আশায়। 
সবার জন্য ওরা 
ফসল ফলায়। 
দামের বেলা ওরা
 ভ্রক্রটি খায়। 
সারা জীবন ধরে
 সুধু চাষ করে যায়। 
পরনে সাদা ধুতি
 আর গামছা মাথায়। 
রোদে পোড়া দেহ খানি। 
কাদা মাখা পাদুকা যুগল। 
মাটির উপর
 ছাপ ফেলে যায়। 
বলে আমি আছি
থাকব চিরন্তন। 


ক্ষুধা

  কঠিন সময় ভাই। দুই দিন খাই নাই।  জটিল এক ব্যাধি । ঔষধ কৈ পায়। কানা কড়ি নেই কাছে। সংসার বাড়ি আছে। খেতে চার ভাই বোন। মা বাবা মিলে ছয়। বা...