শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২২

মা


মা তুমি জগত সেরা।
হাত ধরে জগত ঘোরা।
চোখ দিয়ে বিশ্ব ভ্রমণ।
উষ্ণ কালে শীতের ছাওন।
স্নেহ ভোরা মায়ার বাঁধন।
ধন্য আমার মানব জীবন।
স্পর্শে তোমার আশিষ আছে।
চরন তলে সারা ভূবন।
ছোট থেকে  বর হলাম। 
ভোলার নয় তোমার শিখন। 

মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২২

মাটি

 মাটি গুন খাটি। 
মাটি দিয়ে হয় বাটি। 
দাদুর হাতের লাঠি। 
দিনের শেষে রাতি। 
বনের ভেতর হাতি। 
মাটি দিয়ে হয় থালা। 
নতুন প্রেমের পালা। 
মাটি দিয়ে হয় ঘর। 
ঘরের ভেতর ঝর। 
বনে থাকে পাখি। 
আমি তাকে ডাকি। 
প্রেম পিরিতি জালা। 
বঝেন নাকি দাদা। 
কানুর প্রেমে রাধা। 
জীবন ভোর কাঁদা। 
পুকুরে থাকে মাছ। 
জাল ফেলিয়া নাচ। 
হরেক রকম ফুল। 
সবাই মিলে তুল। 
সাগরের নোনা জল। 
পাই না কোনো স্থল। 


জীবন মরন

 চরম বাধা জীবনে। 
তবুও বাঁচার আশা । 
পারিনি গো ভুলতে। 
প্রদীপে তেল দাও
নিভে যাবে পোলতে। 
আশার আসা নিয়ে
দুপুরের দুয়ারে। 
বসে থাকি একাকী
মধ্যাহ্ন  আহারে। 
অবশেষে ফিরে এলো। 
কি রাগ রুপসীর। 
একে একে সবে খেল। 
জুটল না আমারি। 
দুম করে উঠে দেখি। 
চলে গেলো ঘরেতে। 
আমার মাথায় হাত। 
চক্ষু চড়কগাছ। 
এই ছিল মোর কপালে।

নতুন কবিতা

 কবিতা কবির সৃষ্টি। 
মেঘলা মেঘের বৃষ্টি। 
ঝরেছে অঝোর নয়নে। 
কি অপরূপ দৃষ্টি। 
কারণ বারন বোঝেনা। 
কনো আদেশ মানেনা। 
খামখেয়ালি করে সে। 
আপন গতিতে চলেছে। 



সোমবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২২

প্রেম ভেলা

নীরব রাতে মনের কনে। 
গভীর শোকের ছায়া। 
অথৈই জলে ভাসিয়া দিনু। 
অমার প্রেমের ভেলা। 
দিনের শেষে রাতের দেশে। 
হাজার তারার মেলা। 
কোনের বেশে বধূ সেজে। 
বিদায় নেওয়ার পালা। 
মনে পড়ে নদীর পারে। 
শঙ্খচিলের খেলা । 
মনে পড়ে শ্রাবণী তে
প্রবল বেগে বর্ষা ঝরে। 
বনানী তে পক্ষীরা সব
বাঁচার কারণ উরান ভরে। 
মনে পড়ে শরৎ কালে জলের ধারে
নানান ফুলের মেলা। 
মনে পড়ে বসন্ত কালে কোকিল  ভায়া
কথা বলে কুহু স্বরে। 
মনে পড়ে শীতের সময়
উষ্ণ প্রেমের ছঞা। 

 




চাষী

 চাষি চাষ করে 
ফসল ফলায়।
কিসের কারণ
 কিসের আশায়। 
যদি বলা যায় 
খূধার কারণ
বাঁচার আশায়। 
সবার জন্য ওরা 
ফসল ফলায়। 
দামের বেলা ওরা
 ভ্রক্রটি খায়। 
সারা জীবন ধরে
 সুধু চাষ করে যায়। 
পরনে সাদা ধুতি
 আর গামছা মাথায়। 
রোদে পোড়া দেহ খানি। 
কাদা মাখা পাদুকা যুগল। 
মাটির উপর
 ছাপ ফেলে যায়। 
বলে আমি আছি
থাকব চিরন্তন। 


রবিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২২

ভোরের কুসুম

ভোরের আলো প্রজ্জ্বলিত।
পুস্প বোনে আহরিত।
বাতাসে ভাসিয়া আসে।
সুগন্ধ তাঁর চারিদিক।
নির্জন এক প্রান্তে।  

বন্য প্রানের অন্তে।

একে একে প্রস্ফুটিত।
নির্ভীক অজান্তে।
সারা বন মুখরিত।
সুগন্ধময় চিত্ত।
পক্ষি সাবক কলরিত।
নদীর পানি বিচলিত।
সূর্যী মামা উঁকি মারে।
পূবালীয়া আকাশ পারে।


লেখক-সুদীপ মণ্ডল, 

কোভিড - ১৯

 কোভিড ১৯ মরন ব্যাধি। 
মরনপন জীবন ঝুকি। 
জীবন যখন অষ্ঠাগত। 
তরুন প্রান আসংকিত। 
কর্মজীবন তরান্নিত। 
কিসের আসাই কিসের নেশাই। 
মনের পাখি উরিয়া যায় । 
ভন্ড দেশের রাজনীতিতে। 
যুব সমাজ আঙ্গুল চুসে। 
মোদের দেওযা ভোটে জিতে। 
গদির চরম নেশাই মোজে। 
কাজের বেলায় ওদের যত। 
হাত বাক্সে টান যে ধরে। 
ভোট প্রচারের রাজনীতিতে। 
কোটি টাকার  ছাদ্দো উরে। 
মহামারীর  ঔষধ ক্রয়ের। 
টাকা নেই ওদের কাছে। 
কোটি লোকের মৃত্যু ঘটে। 
দেশের নেতা  ফাইদা লুটে। 
দেশের মানুষ জাগ্ৰত হন। 
বিপদ আছে  ভবিষ্যতে। 


Thank by sudip Mondal




শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২২

শঙ্খ চাঁদ by Sudip Mondal

 শঙ্খ চাঁদ গ্রহণ লাগে

ধরনি মায়ের পরিহাসে। 

আজীবন ধরে লেখা লেখি

করে, রয়ে গেল পরে ইতিহাস। 


জীবন শিখায় অনেক কিছু

সময়ের কাছে আমরা নিচু । 

নিজের কাছে নিজে আজ

লাগেজে বড়ো অসহাই। 


লেখায় তোমার জীবন বানী

ধরনির কূলে তুমি অবনি। 

স্রধ্যা জ্ঞাপন তোমার চরনে

এটাই আমার গুরু প্রনামী। 

                                    কবি:- সুদীপ

তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ। writer Sudip Mondal


 তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ।
বিশ্ব মাঝে জ্ঞানেন্দ্রনাথ।
আমার কাছে নবেল জয়ী।
লেখার কারণ গীতাঞ্জলি।
তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ।
সবার কাছে জ্ঞানের খনী।
বিশ্বের কাছে বিশ্ব জয়ী।
মৃত্যুর কাছে মৃত্যুনজয়ী।
কালের কাছে দ্বীগবিজয়ী।
তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ।
জগৎ মাঝে অমর তুমি।
প্রানের মাঝে প্রানজীবনী।
রামের কাছে সঞ্জীবনী।
লক্ষন পায় প্রানজীবনী।
তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ।
হ্নদয় মাঝে আছেন যিনি।
সবুজ বন আর নদীর পানি।
সিনিন্ধ শিতল বাতাস খানি।
মাটির পথে মাতঙ্গিনী।
তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ।
শিক্ষা নিতে বিদেশ পারি।
ভৃত্যের কাছে হাতে খরি।
জানালা দিয়ে জগৎ দেখি ।
৮ বছরে  লেখালেখি।
বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ।
ফিরে এসে নিজের দেশে।
কোনো এক দিনের শেষে।
কবি, রবি, ভানু বেশে।
ছদ্মনাম আর ছদ্মবেশে।
নাটক, গল্প, উপন্যাসে।
কবিতা ও গানের রেসে।
নাম ছোরালো দেশবিদেশে।
প্রবন্ধ,চিএে,গীতি,নৃত্যে।
অসীম তুমি মানব চিত্তে।
তুমি আছো আজও বেঁচে।
সকাল, সাঁঝে মনের দেশে।
জালিয়ানওয়ালাবাগের প্রতিবাদে।
গর্জে উঠে দেশের মাটি।
জাওয়ানদেই অন্তরালে।
লুপ্ত এক প্রাণশক্তি।
ব্রিটিশের দেওয়া নাইট টাকে।
মারল ছুরে তাদের  টাঁকে।
বঙ্গ ভাগের আন্দোলনে।
নাম লেখালো বন্ধু দলে। 
প্রতিবাদের ডঙ্কা বাজে।
কবিতা ও গানের মাঝে।
লেখায় তাহার আগুন জ্বলে।
দেশের মাটির গর্ভ ঠেলে।
যুব শক্তির বাহুর তলে
ব্রিটিশ বনিক রসাতলে।
একে একে শেষের দিকে।
শোকের ছায়া নেমে আসে।
স্ত্রী, সন্তান, বাবা, মাকে।
হারিয়ে ফেলা নিজের থেকে।
গভীর শোকে বিভোর হয়ে।
মনের পাখি শিকল খোলে।
উরতে গিয়েও উরত নারে।
মনের কথা বলত নারে।
মনের ভেতর কি তার আছে।
লেখেন বসে দালান টাতে।
অবশেষে এক দিনের শেষে।
মনের পাখি পিঁজরা থেকে।
উড়ে গেল এক তারার দেশে।


           Thanks By Sudip Mondal for your support. 


ক্ষুধা

  কঠিন সময় ভাই। দুই দিন খাই নাই।  জটিল এক ব্যাধি । ঔষধ কৈ পায়। কানা কড়ি নেই কাছে। সংসার বাড়ি আছে। খেতে চার ভাই বোন। মা বাবা মিলে ছয়। বা...