চরম বাধা জীবনে।
তবুও বাঁচার আশা ।
পারিনি গো ভুলতে।
প্রদীপে তেল দাও
নিভে যাবে পোলতে।
আশার আসা নিয়ে
দুপুরের দুয়ারে।
বসে থাকি একাকী
মধ্যাহ্ন আহারে।
অবশেষে ফিরে এলো।
কি রাগ রুপসীর।
একে একে সবে খেল।
জুটল না আমারি।
দুম করে উঠে দেখি।
চলে গেলো ঘরেতে।
আমার মাথায় হাত।
চক্ষু চড়কগাছ।
এই ছিল মোর কপালে।
Notun kobita blog. বাংলা ভাষা মধূর ভাষা। বাংলা ভাষায় নতুন কবিতা এই ওয়েব সাইট থেকে প্রকাশ করা হয়।
মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২২
জীবন মরন
নতুন কবিতা
কবিতা কবির সৃষ্টি।
মেঘলা মেঘের বৃষ্টি।
ঝরেছে অঝোর নয়নে।
কি অপরূপ দৃষ্টি।
কারণ বারন বোঝেনা।
কনো আদেশ মানেনা।
খামখেয়ালি করে সে।
আপন গতিতে চলেছে।
সোমবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২২
প্রেম ভেলা
গভীর শোকের ছায়া।
অথৈই জলে ভাসিয়া দিনু।
অমার প্রেমের ভেলা।
দিনের শেষে রাতের দেশে।
হাজার তারার মেলা।
কোনের বেশে বধূ সেজে।
বিদায় নেওয়ার পালা।
মনে পড়ে নদীর পারে।
শঙ্খচিলের খেলা ।
মনে পড়ে শ্রাবণী তে
প্রবল বেগে বর্ষা ঝরে।
বনানী তে পক্ষীরা সব
বাঁচার কারণ উরান ভরে।
মনে পড়ে শরৎ কালে জলের ধারে
নানান ফুলের মেলা।
চাষী
চাষি চাষ করে
ফসল ফলায়।
কিসের কারণ
কিসের আশায়।
যদি বলা যায়
খূধার কারণ
বাঁচার আশায়।
সবার জন্য ওরা
ফসল ফলায়।
দামের বেলা ওরা
ভ্রক্রটি খায়।
সারা জীবন ধরে
সুধু চাষ করে যায়।
পরনে সাদা ধুতি
আর গামছা মাথায়।
রোদে পোড়া দেহ খানি।
কাদা মাখা পাদুকা যুগল।
মাটির উপর
ছাপ ফেলে যায়।
বলে আমি আছি
থাকব চিরন্তন।
রবিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২২
ভোরের কুসুম
ভোরের আলো প্রজ্জ্বলিত।
পুস্প বোনে আহরিত।
বাতাসে ভাসিয়া আসে।
সুগন্ধ তাঁর চারিদিক।
নির্জন এক প্রান্তে।
বন্য প্রানের অন্তে।
একে একে প্রস্ফুটিত।নির্ভীক অজান্তে।
সারা বন মুখরিত।
সুগন্ধময় চিত্ত।
পক্ষি সাবক কলরিত।
নদীর পানি বিচলিত।
সূর্যী মামা উঁকি মারে।
পূবালীয়া আকাশ পারে।
লেখক-সুদীপ মণ্ডল,
কোভিড - ১৯
মরনপন জীবন ঝুকি।
জীবন যখন অষ্ঠাগত।
তরুন প্রান আসংকিত।
কর্মজীবন তরান্নিত।
কিসের আসাই কিসের নেশাই।
মনের পাখি উরিয়া যায় ।
ভন্ড দেশের রাজনীতিতে।
যুব সমাজ আঙ্গুল চুসে।
মোদের দেওযা ভোটে জিতে।
গদির চরম নেশাই মোজে।
শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২২
শঙ্খ চাঁদ by Sudip Mondal
শঙ্খ চাঁদ গ্রহণ লাগে
আজীবন ধরে লেখা লেখি
করে, রয়ে গেল পরে ইতিহাস।
জীবন শিখায় অনেক কিছু
সময়ের কাছে আমরা নিচু ।
নিজের কাছে নিজে আজ
লাগেজে বড়ো অসহাই।
লেখায় তোমার জীবন বানী
ধরনির কূলে তুমি অবনি।
স্রধ্যা জ্ঞাপন তোমার চরনে
এটাই আমার গুরু প্রনামী।
তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ। writer Sudip Mondal
তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ।
বিশ্ব মাঝে জ্ঞানেন্দ্রনাথ।
আমার কাছে নবেল জয়ী।
লেখার কারণ গীতাঞ্জলি।
তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ।
সবার কাছে জ্ঞানের খনী।
বিশ্বের কাছে বিশ্ব জয়ী।
মৃত্যুর কাছে মৃত্যুনজয়ী।
কালের কাছে দ্বীগবিজয়ী।
তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ।
জগৎ মাঝে অমর তুমি।
প্রানের মাঝে প্রানজীবনী।
রামের কাছে সঞ্জীবনী।
লক্ষন পায় প্রানজীবনী।
তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ।
হ্নদয় মাঝে আছেন যিনি।
সবুজ বন আর নদীর পানি।
সিনিন্ধ শিতল বাতাস খানি।
মাটির পথে মাতঙ্গিনী।
তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ।
শিক্ষা নিতে বিদেশ পারি।
ভৃত্যের কাছে হাতে খরি।
জানালা দিয়ে জগৎ দেখি ।
৮ বছরে লেখালেখি।
বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ।
ফিরে এসে নিজের দেশে।
কোনো এক দিনের শেষে।
কবি, রবি, ভানু বেশে।
ছদ্মনাম আর ছদ্মবেশে।
নাটক, গল্প, উপন্যাসে।
কবিতা ও গানের রেসে।
নাম ছোরালো দেশবিদেশে।
প্রবন্ধ,চিএে,গীতি,নৃত্যে।
অসীম তুমি মানব চিত্তে।
তুমি আছো আজও বেঁচে।
সকাল, সাঁঝে মনের দেশে।
জালিয়ানওয়ালাবাগের প্রতিবাদে।
গর্জে উঠে দেশের মাটি।
জাওয়ানদেরই অন্তরালে।
লুপ্ত এক প্রাণশক্তি।
ব্রিটিশের দেওয়া নাইট টাকে।
মারল ছুরে তাদের টাঁকে।
বঙ্গ ভাগের আন্দোলনে।
নাম লেখালো বন্ধু দলে।
প্রতিবাদের ডঙ্কা বাজে।
কবিতা ও গানের মাঝে।
লেখায় তাহার আগুন জ্বলে।
দেশের মাটির গর্ভ ঠেলে।
যুব শক্তির বাহুর তলে।
ব্রিটিশ বনিক রসাতলে।
একে একে শেষের দিকে।
শোকের ছায়া নেমে আসে।
স্ত্রী, সন্তান, বাবা, মাকে।
হারিয়ে ফেলা নিজের থেকে।
গভীর শোকে বিভোর হয়ে।
মনের পাখি শিকল খোলে।
উরতে গিয়েও উরত নারে।
মনের কথা বলত নারে।
মনের ভেতর কি তার আছে।
লেখেন বসে দালান টাতে।
অবশেষে এক দিনের শেষে।
মনের পাখি পিঁজরা থেকে।
উড়ে গেল এক তারার দেশে।
Thanks By Sudip Mondal for your support.
জীবন মানে. Writing by Sudip Mondal
জীবন মানে মানুষ হয়ে
মানুষের কাছে থাকা।
জীবন মানে মানুষ হয়ে মানুষের মতো বাঁচা।
জীবন মানে নদীর তীরে সবুজ বনে ঢাকা।
জীবন মানে নদীর স্রোতে খেলে জোয়ার ভাঁটা।
জীবন মানে আদিম যুগে বনবাসে থাকা।
জীবন মানে আদিম যুগে বন্য পশু মারা।
জীবন মানে চাষির কাছে একটু জলের আসা।
জীবন মানে চাষির কাছে ধানে ভোরা গোলা।
গরিবের রক্ত. writing by Sudip Mondal
গরিবের রক্ত চেনা জানা বড় শক্ত।
গরিবের রক্ত নিয়ে এই দুনিয়ায়।
চলছে মটর আর ট্র্যাম ও ট্র্যাক।
চলছে আরও কতকিছু তারা নাহি জানে।
জবাব চাইতে গেলে কিল চর লাথি ঝাটা মেলে।
কলির সোশনে গরিবের রক্ত হয়েছে জল।
বাবুরা শাসন চালিয়ে পাইয়ে বড় ফল।
ওদের কে বাচতে দাও ওরাওতো মানুষ।
মেহনতের টাকার খাই নেই না কোনো ঘুষ।
ছদ্মবেশে থাকে ওরা গায়ে নামাবলি।
কখনো বা ঝারুদার কখন বা কুলি।
ওদের কথা ভাবত যারা তারা আজ ইতিহাস।
রবি, নজরুল, বিদ্যাসাগর আর সঙ্গে সুভাষ।
আরো আছে অনেকেরই নাম তাদের সব্বাই কে। জানাই আমার তরফ থেকে বিন্বর এই প্রনাম।
ক্ষুধা
কঠিন সময় ভাই। দুই দিন খাই নাই। জটিল এক ব্যাধি । ঔষধ কৈ পায়। কানা কড়ি নেই কাছে। সংসার বাড়ি আছে। খেতে চার ভাই বোন। মা বাবা মিলে ছয়। বা...
-
গরিবের রক্ত চেনা জানা বড় শক্ত। গরিবের রক্ত নিয়ে এই দুনিয়ায়। চলছে মটর আর ট্র্যাম ও ট্র্যাক। চলছে আরও কতকিছু তারা নাহি জানে। জবাব চাইতে গ...
-
জীবন মানে মানুষ হয়ে মানুষের কাছে থাকা। জীবন মানে মানুষ হয়ে মানুষের মতো বাঁচা। জীবন মানে নদীর তীরে সবুজ বনে ঢাকা। জীবন মানে নদীর স্রো...
-
মা তুমি জগত সেরা। হাত ধরে জগত ঘোরা। চোখ দিয়ে বিশ্ব ভ্রমণ। উষ্ণ কালে শীতের ছাওন। স্নেহ ভোরা মায়ার বাঁধন। ধন্য আমার মানব জীবন। স্পর্শে তোমার ...